****ফকফকে চাঁদের আলোয় বিখ্যাত মেঘাদ্রি রিসোর্ট এ ৩ রাত ২ দিন এর ভ্রমনে ঘুরিংফিরিং****

শীতকালে সাজেক মানেই অন্যরকম সৌন্দর্য ,সাজেকে মেঘবিলাস করতে আগামী ২০ জানুয়ারি ২০২২, বৃহস্পতিবার রাতে ঘুরিং ফিরিং আয়োজন করতে যাচ্ছে সাজেক ট্যুর।

আমাদের ভ্রমনের স্থানঃ

১- সাজেক ভ্যালি।
২- রুইলুই পাড়া।
৩- হ্যালিপ্যাড ১,২ এলাকা।
৪- কংলাক পাহাড়।
৫- আলুটিলা গুহা।
৬- তারেং।
৭.হাজাছড়া ঝর্ণা (পানি থাকা সাপেক্ষে)
৮.রিসাং ঝর্ণা।
৯.হর্টিকালচার পার্ক (ঝুলন্ত ব্রীজ)।

সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন। এখানে আপনি পাবেন এক সাথে চার রকম সৌন্দর্য ।

১) নৌ বিহার।
২) ওয়াইল্ড লাইফ।
৩) প্রকৃতি।
৪) সাগর

বাংলাদেশের আর কোথাও নৌযানে করে তিনদিন ভ্রমনের সুযোগ নাই একমাত্র সুন্দরবন ছাড়া, আপনি এখানে সেই সুযোগ পাচ্ছেন সাথে বোনাস হিসাবে পাচ্ছেন প্রকৃতি,ওয়াইল্ড লাইফ, সমুদ্র এই সময় সমুদ্রকে পাবেন আপনার মনের মত করে। আর হ্যাঁ সুন্দরবনে আপনাদের জন্য থাকছে বিশেষ আকর্ষণ হিসাবে বার- বি- কিউ নাইট। আরও সাথে থাকছে অভিজ্ঞ গাইড।

★১ম দিন : ২১জানুয়ারি শুক্রবার সকালে খাগড়াছড়ি পৌঁছে সকালের নাস্তা সেড়ে নেবো। তারপর রিজার্ভ করে রাখা চান্দের গাড়ি করে পাহাড়ি ঢাল ধরে প্রকৃতি দেখতে দেখতে রিসোর্টে পৌঁছাবো। এরপর দুপুরের খাবার সেড়ে ঘুরতে বেরিয়ে যাব। ঘুরে দেখবো রুইলুই পাড়া, লুসাই গ্রাম, সন্ধ্যাটা কাটাবো সাজেকের হ্যালিপ্যাডে। রাতের খাবার সেড়ে নিয়ে রিসোর্টে ফিরে গান বাজনা করে রাতটা কাটিয়ে দেবো।

★২য় দিন: ২২ জানুয়ারি খুব ভোরে কংলাক পাহাড়ে যাব মেঘ দেখতে। ছোটখাটো একটা ট্রেকিং শেষে দেখা মিলবে সূর্যদয়ের। এরপর রিসোর্টে ফিরে চেক আউট করে বেরিয়ে পড়বো চান্দের গাড়ি করে।এরপর হাজাছড়া ঝর্ণা, দেখবো। খাগড়াছড়িতে দুপুরের খাবার সেড়ে আলুটিলা গুহা, ঝুলন্ত ব্রিজ দেখবো। সন্ধ্যাটা সেখানেই কাটিয়ে দেবো। রাত ৯টার বাসে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করবো।

৩য় দিনঃ করমজলে নোনা পানির বাংলাদেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র। ছোট বড় কুমির,বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির কচ্ছপ,বানরের পালের বাদরামি এবং হরিণকে হাত থেকে ঘাস খাইয়ে শীপে ফিরে খুলনা/মংলার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবো। বিঃ দ্রঃ জোয়ার ভাটার কারনে ২/৩ ঘন্টা সময় ব্যবধান হতে পারে।

★প্যাকেজ খরচ: জনপ্রতি খরচ পড়বে ৫৫০০/- ঢাকা থেকে। কাপল (২জন)রুম ১৩০০০/- (খালি থাকা সাপেক্ষে)। শিশু পলিসি : ০-২ বছরের বাচ্চাদের জন্য চার্জ প্রযোজ্য নয়, ৩-৬ বছরের বাচ্চার জন্য ৩৫০০/- প্রযোজ্য।
★ বিদেশীদের জন্যে অতিরিক্ত ৫২০০/- টাকা ফরেষ্ট এন্ট্রি ফি দিতে হবে।
★নিরাপত্তা: নিরাপত্তার ব্যাপারে আমাদের কোন আপোস নেই। আপনাদের নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষনিক নিয়োজিত থাকবে বাংলাদেশ বনবিভাগ থেকে দুই জন সসস্ত্র নিরাপত্তা কর্মী । আবহাওয়া এবং অন্য যে কোন প্রয়োজনে রেডিওর মাধ্যমে ফরেস্ট, কোষ্ট গার্ড এবং নৌ-বাহিনীর সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন।

বুকিং মানি ৫,০০০ টাকা (জনপ্রতি) বুকিং মানি জমা দেওয়ার পদ্ধতিঃ
★ সরাসরি অফিসে এসে জমা দেও্য়া যাবে।
★বিকাশের করা যাবে।
★ ব্যাংক ডিপোজিট করে যাবে। যেকোনো প্রয়োজনে -01731470111 এ কল দিন কিংবা পেইজে মেসেজ দিন।