We’re here to provide 24/7 at your service

মেঘ,ঝর্ণা,পাহাড়ি নদীর সাথে বিচিত্র জীবনধারা বুকে নিয়ে ঘাপটি মেরে বসে আছে অপরূপ সুন্দর বান্দরবান। একঘেয়ে জীবনকে এবার একটু বিদায় দিয়ে এডভেঞ্চারাস রোমাঞ্চে হারিয়ে যাক কয়েকটা দিন। তবে বলে রাখি, এটি মোটেও রিলাক্সিং ট্যুর নয়, মোটামুটি একটা ফুল ট্রেকিং ট্যুর। তবে আমাদের এই প্ল্যান একটু ভিন্ন এবং বিগেনার ফ্রেন্ডলি,শুধু একটু নিজেকে মানসিকভাবে শানিয়ে নিতে জানলেই আপনি আমন্ত্রিত। এবং পুরোটা সময় থাকতে হবে নেটওয়ার্কের বাইরে , নেট বিহীন কয়েকটা সুন্দর দিনের গল্প নিয়ে ফিরে আসবেন এই যান্ত্রিক জীবনে।ঘুরিং ফিরিং টিম যাচ্ছে আমিয়াখুম নাফাখুম জলপ্রপাতে। বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তের পাশে অবস্থিত আমিয়াখুম জলপ্রপাতকে দেখা হচ্ছে বাংলার ভূস্বর্গ হিসেবে। কারো কারো মতে, এটা বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর জলপ্রপাত। নাফাখুম জলপ্রপাত বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নে অবস্থিত। পানি প্রবাহের পরিমানের দিক থেকে এটিকে বাংলাদেশের অন্যতম বড় জলপ্রপাত হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়।

যা যা দেখবোঃ

* আমিয়াখুম
* নাফাখুম
* ভেলাখুম
* সাতভাইখুম
* দেবতা পাহাড়
* থুইসাপাড়া
* জিন্নাপাড়া
* রেমাক্রি
* রেমাক্রিফলস
* তিন্দু
* রাজা পাথর
*নিকোলাস পাড়া

ট্যুর প্লানঃ 👉১ম রাত ঃ- রাত ৯ টায় ঢাকা থেকে নন-এসি বাসে বান্দরবানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো। 👉১ম দিনঃ- খুব ভোরে আমরা বান্দরবানে পৌঁছে বাসে/চান্দের গাড়ি চড়ে রাস্তার দুপাশের নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে দেখতে আমরা থানচি পৌঁছে যাব। থানচি যাবার আগে নাস্তা করে নেবো। থানচিতে ক্যাম্পে এন্ট্রি করে গাইড নিয়ে ছোট বোটে করে সাঙ্গু নদী ধরে চলে যাব রেমাক্রি, সাঙ্গু নদীর দুইপাশের প্রকৃতি আপনাকে মুগ্ধ করবে ।রেমাক্রি থেকে ১.৫ / ২ঘন্টা রেমাক্রি খালের অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে দেখতে পৌঁছে যাবো রেমাক্রি ,সেখান থেকে দেড় ঘন্টা হেটে গেলেই দেখা মিলবে সুন্দরী নাফাখুমের।নাফাখুমে পৌঁছে আমরা কিছুক্ষণ নাফাখুম জলপ্রপাত এর সৌন্দর্য উপভোগ করবো। ছবি তুলবো ,এরপর আবার হাটা শুরু করবো থুইসাপাড়ার দিকে , সন্ধ্যার দিকে দিকে থুইসাপাড়া পৌঁছাবো ,রাতে থুইসাপাড়ায় পাহাড়ি জুম চালের ভাত খাবো সাথে থাকবে আলুভর্তা ডাল আর মুরগী । থুইসাপাড়ায় পাড়ায় রাত্রিযাপন।

★১ম দিন : 👉২য় দিনঃ- ভোরে উঠে নাস্তা করে নেবো , থুইসাপাড়া থেকে আমরা নাস্তা সেরে আমিয়াখুমের উদ্দেশ্যে ট্রেকিং শুরু করবো। ৩ ঘণ্টা সময় লাগবে আমিয়াখুমে পৌঁছাতে,দেবতা পাহাড় পাড়ি দিয়ে আমিয়াখুম জলপ্রপাতের শব্দ শুনতে শুনতে দেবতা পাহাড় পাড়ি দেবো, দেবতা পাহাড় থেকে নামলেই আমিয়াখুম জলপ্রপাত। কিছুক্ষন সময় কাটিয়ে আমরা চলে যাবো ভেলাখুম, সাতভাই খুম,নাইক্ষ্যংমুখ,খুম।তারপর সন্ধ্যার মধ্য ফিরে আসবো থুইসাপাড়ায়। রাত্রিযাপন থুইসা পাড়াতে।থুইসাপাড়ায় রাতে খেয়ে আকাশের তারা উপভোগ করবো মাঠে বসে ।নির্ধারিত দিনে ঢাকা থেকে খুলনাগামী বাসে/ট্রেনে করে খুলনা শহরের রয়েল মোড়/রেল স্টেশন থেকে অটোরিক্সাতে করে ৫ মিনিটে জেলখানা ঘাটে সকাল ৭ টার মধ্যে পৌঁছানো। আপনাকে আমাদের ট্যুর গাইড রিসিভ করে ট্রলারে শীপে নিয়ে আসবে। তারপর ফ্রেশ হয়ে সকালের নাস্তা পরিবেশন। জাহাজ মংলা পোর্টে পৌঁছানোর পূর্বে রুপসা ব্রীজ, খুলনা শীপ ইর্য়াড ও রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেখা যাবে। দুপুর ১ টা থেকে ২:৩০ মিনিটের মধ্যে আমরা চাঁদপাই ফরেস্ট অফিস পৌছাবো। বন বিভাগের অনুমোদনপত্র ও গার্ড নিয়ে বিকাল ৩:৩০- ৪ টার মধ্যে হাড়বাড়িয়ায় পৌছানো যেখানে বন বিভাগের ইকো ট্যুরিজম স্পট দেখতে পাওয়া যাবে। এরপর বনের ভিতর দিয়ে আমরা শীফে করে এিকোনা আইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে রাত ১২ টায় পৌছানো এবং রাতে জাহাজে অবস্থান।

👉৩য় দিনঃ- খুব ভোরে থুইসাপাড়ার নাস্তা শেষ করে আমরা রওনা হবো পদ্মঝিরির পথে। ৬-৭ ঘন্টা ট্রেকিং করে আমরা চলে আসবো পদ্মঝিরি। সবচেয়ে সুন্দর ট্র্যাকিং পথ এই আমিয়াখুম থেকে পদ্মঝিরি আসার রাস্তা। কখনো পাহাড় কখনো বড় বড় পাথর পেরোতে হবে। পদ্মঝিড়ি থেকে বোট নিয়ে আমরা চলে আসবো থানচি , সেখান থেকে বাস/চান্দের গাড়ি নিয়ে আমরা চলে আসবো বান্দরবান, সেখানে রাতের খাবার সেরে রাত ৮ টার বাসে (নন-এসি) বান্দরবান থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবো।

ইভেন্ট ফী তে যা যা পাচ্ছেনঃ ১.সকল যাতায়াত খরচ বাসঃ ঢাকা-বান্দরবান-ঢাকা। ২-চান্দের গাড়ি- বান্দরবন-থানচি-বান্দরবন। ৩-নৌকাঃ থানছি-রেমাক্রি-পদ্মমুখ-থানছি। ৪-অভিজ্ঞ গাইড। ৫-পাহাড়ি কটেজে থাকার খরচ ৬- খাবারের খরচ।(ট্রেকিং এর সময় দুপুরে কোনো ভারী খাবারের ব্যবস্থা নেই ,নিজেরা কিসমিস,কাপনুডুলস, খেজুর ,ম্যাংগোবার ,শুকনো খাবার নিয়ে নেবো,ঘুরিংফিরিং থেকেও শুকনো খাবার দেয়া হবে সবাইকে) ৭-ঘুরিংফিরিং এর লোগো সম্বলিত একটা টিশার্ট। ৮-ফাস্ট এইড মেডিসিন।

*ট্রেকিং এ যা যা অবশ্যই সাথে নিতে হবেঃ -মাস্ক, স্যানিটিজার। ন্যাশনাল আইডি এর পাঁচ কপি ফটোকপি। -ব্যাকপ্যাক (অবশ্যই ভালো মানের ট্রেকিং ব্যাগ যা দীর্ঘক্ষণ ট্রেকিংয়েও পিঠ ঘামাবে না এবং কোমড়ের উপরে চাপ সৃষ্টি করবে না)। সাথে রেইন কভার। - ৩/৪ দিনের জন্য প্রয়োজন মত হালকা কাপড় - গামছা নিবেন যাতে রোদে মাথায় ঢেকে হাঁটা যায়। - ট্র্যাকিং এর জন্য ট্রেকিং জুতা। পানির বোতল (১ লিটারের ১ টা) - হালকা খাবার (বিস্কিট,খেজুর, বাদাম, স্যালাইন ইত্যাদি ) - ছোট টর্চ, মোমবাতি। - পলিথিন। - এ্যাংলেট, নি - ক্যাপ। - প্রয়োজনীয় ঔষধ - মোবাইল চার্জের জন্য পাওয়ার ব্যাংক। -ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক (Doxicap Capsule)। -টয়লেট টিস্যু।

বিকাশ নাম্বার-01674981499,01709148290 রকেট -016749814991 টাকা পাঠিয়ে সেই নাম্বারে কল দিয়ে কনফার্ম করবেন।ট্যুর সংক্রান্ত যেকোনো প্রয়োজনে পেইজে নক করুন কিংবা 01731470111 নাম্বারে যোগাযোগ করুন।